আমাদের দুর্গা পূজা তার উদযাপন, ঋতু এবং শাস্ত্রীয় প্রেক্ষাপটভেদে বেশ কয়েকটি ভিন্ন নামে পরিচিত:
দুর্গোৎসব (বা শারদোৎসব): শরৎকালে (আশ্বিন-কার্তিক মাসে) এই পূজা অনুষ্ঠিত হয় বলে এটি 'শারদীয় দুর্গোৎসব' নামে সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
অকালবোধন: শাস্ত্র মতে দেব-দেবীদের জাগরণের সময় হলো বসন্তকাল। কিন্তু কৃত্তিবাসী রামায়ণ অনুযায়ী, রাবণ বধের জন্য শ্রী রামচন্দ্র শরৎকালে (অসময়ে) দুর্গা পূজার আয়োজন করে দেবী চণ্ডীকে জাগ্রত করেছিলেন। অকালে বা অসময়ে দেবীকে বোধন (জাগরিত) করা হয়েছিল বলে একে 'অকালবোধন' বলা হয়।
শারদীয় নবরাত্রি: ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে এবং বিশ্বজুড়ে এই উৎসবের নয়টি রাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে 'নবরাত্রি' নামে পালন করা হয়।
মহিষাসুরমর্দিনী পূজা: মহিষাসুর নামক দানবকে বধ করার মাধ্যমে দেবী বিশ্বসংসার রক্ষা করেছিলেন বলে দেবীর এই পূজাকে 'মহিষাসুরমর্দিনী পূজা' বলা হয়।
দুর্গোৎসব: পূজাটি কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, বরং বিশাল উৎসবের রূপ নেয় বলে একে এককথায় 'দুর্গোৎসব' বলা হয়।
(উল্লেখ্য: শরৎকালের এই অকালবোধন ছাড়াও বসন্তকালে শাস্ত্রীয় সময়ানুযায়ী যে মূল দুর্গা পূজা হয়, তাকে বাসন্তী পূজা বলা হয়।)


