শ্রীকৃষ্ণকে হত্যা করার জন্য নানা সময়ে অসুরেরা ও কংস নানা প্রচেষ্টা নিয়েছিল। ভাগবত পুরাণ, বিষ্ণু পুরাণ ও অন্যান্য গ্রন্থে এসব ঘটনার বর্ণনা আছে। প্রধান প্রধান পদক্ষেপগুলো হলো—
শ্রীকৃষ্ণকে হত্যা করার জন্য গৃহীত পদক্ষেপসমূহ
পূতনা রাক্ষসীকে পাঠানো
কংস নবজাতক কৃষ্ণকে মারার জন্য পূতনা নামক এক রাক্ষসীকে পাঠায়।
সে দুধপান করানোর ভান করে কৃষ্ণকে বিষ মিশ্রিত দুধ খাওয়াতে চেয়েছিল।
কিন্তু কৃষ্ণ তার প্রাণশক্তি শুষে নিয়ে তাকে হত্যা করেন।
শকটাসুর দানব
কৃষ্ণ যখন শিশু, তখন এক বিশাল গাড়ি (শকট) আকারে এক দানব এসে তাঁকে চাপা দিতে চেয়েছিল।
কৃষ্ণ পা দিয়ে এক লাথি মেরে সেই দানবকে ধ্বংস করেন।
ত্রিণাবর্তাসুর
ঘূর্ণিঝড় আকারে এক অসুর (ত্রিণাবর্ত) কৃষ্ণকে আকাশে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিল।
কৃষ্ণ তার গলা চেপে ধরলে সে আকাশ থেকে পড়ে মারা যায়।
ভ্রমরাসুর (শকট-বিস্তার)
নানা দানব ও ভ্রমর আকারে আক্রমণ করে কৃষ্ণকে ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছিল।
বকাসুর
বিশাল বক (সারস পাখি) আকারে এক অসুর কৃষ্ণকে গিলে ফেলতে চেয়েছিল।
কৃষ্ণ তার ঠোঁট ছিঁড়ে তাকে মেরে ফেলেন।
অঘাসুর
অজগর (বড় সাপ) আকারে এক অসুর কৃষ্ণ ও গোপবালকদের গিলে ফেলতে চেয়েছিল।
কৃষ্ণ ভিতর থেকে তার শরীর ফাটিয়ে দেন।
ধেনুকাসুর
তালের বনে (তালবন) গাধা-রূপী অসুর ধেনুকাসুর কৃষ্ণ-সখাদের আক্রমণ করে।
কৃষ্ণ ও বলরাম তাকে হত্যা করেন।
প্রালম্বাসুর
গোপবালকদের খেলায় যোগ দিয়ে ছলনায় কৃষ্ণ ও বলরামকে আক্রমণ করতে চেয়েছিল।
বলরাম তাকে হত্যা করেন।
কেশী দানব
ঘোড়া রূপে কেশী নামে অসুর কৃষ্ণকে হত্যা করতে আসে।
কৃষ্ণ তার মুখে হাত ঢুকিয়ে তাকে হত্যা করেন।
কংসের সরাসরি আক্রমণ
শেষে মথুরায় কৃষ্ণকে আনার জন্য কংস নানা ছল-চাতুরী করে।
মল্লযোদ্ধাদের দিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিল।
কিন্তু কৃষ্ণ নিজেই কংসকে পরাস্ত করে হত্যা করেন।


