꧁✸হ্যাঁ, একাদশীর পারণের দিনে একবারে নিরামিষ খেলে সেই উপবাসের পূর্ণ ফল লাভ হয়। তবে, একাদশীর আগের দিন (দশমী) এবং পরের দিন (দ্বাদশী) ও নিরামিষ আহার করা উচিত। এতে একাদশীর উপবাসের পূর্ণ ফল লাভ হয়।
একাদশী উপবাসের নিয়ম:
একাদশীর আগের দিন (দশমী): আমিষ ভোজন ত্যাগ করে নিরামিষ আহার করা উচিত।
একাদশীর দিন: সম্পূর্ণ নিরামিষ উপবাস পালন করা উচিত। জলও পরিহার করা উচিত, তবে যারা পারেন না তারা ফল ও দুধ গ্রহণ করতে পারেন।
দ্বাদশীর দিন: সূর্যোদয়ের পর, উপবাস ভঙ্গ করার জন্য পারণ করা উচিত। পারণের সময় ভগবানকে ভোগ নিবেদন করে প্রসাদ গ্রহণ করা উচিত।
একাদশীর উপবাসের সময় কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে:
আমিষ খাবার, যেমন - মাছ, মাংস, ডিম ইত্যাদি সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে।
নিষিদ্ধ শস্য, যেমন - ধান, গম, যব, ভুট্টা ইত্যাদি বর্জন করতে হবে।
ডাল জাতীয় খাবারও বর্জন করতে হবে।
কিছু ক্ষেত্রে, যারা সম্পূর্ণ উপবাস করতে পারেন না, তারা ফল, দুধ বা পঞ্চগব্য গ্রহণ করতে পারেন, তবে সেক্ষেত্রেও আমিষ ও নিষিদ্ধ শস্য বর্জনীয়।
একাদশীর দিন চা, কফি, পান ইত্যাদি নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করা উচিত নয়।
উপবাস ভঙ্গের সময়, অর্থাৎ পারণের সময়, হরি বাসরের সময়টি এড়িয়ে যাওয়া উচিত।
একাদশীর উপবাস পালনের মাধ্যমে মানসিক ও আধ্যাত্মিক উন্নতি লাভ করা যায় এবং এটি শ্রীকৃষ্ণের আশীর্বাদ লাভের একটি উপায়।


