শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরাণের (প্রথম স্কন্ধ, তৃতীয় অধ্যায়) মতে ভগবান বিষ্ণুর ২২ জন প্রধান অবতার এভাবে উল্লেখ আছে —
শ্রীমদ্ভাগবতের ২২ প্রধান অবতার
চতুর্সন (চার কুমার) – সনক, সনাতন, সনন্দন, সনৎকুমার।
বরাহ – শূকর অবতার, যিনি পৃথিবীকে রক্ষা করেছিলেন।
নারদ – দেবঋষি, ভক্তি ও ভগবত গানের প্রচারক।
কপিল – সাংখ্য দর্শনের প্রবর্তক ঋষি।
দত্তাত্রেয় – আত্রি ঋষি ও অনসূয়ার পুত্র।
যজ্ঞ – ইন্দ্র দেবতারূপে অবতীর্ণ।
ঋষভ – জৈন ধর্মেও পূজিত, বৈরাগ্যের উপদেশদাতা।
প্রিথু মহারাজ – পৃথিবীকে চাষাবাদের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করেন।
মাত্স্য (মৎস্য) – প্রলয়ের সময় বেদ রক্ষা করেন।
কূর্ম (কচ্ছপ) – সমুদ্র মন্থনে মন্দর পর্বত ধারণ করেন।
ধন্বন্তরি – অমৃতের পাত্রসহ চিকিৎসা বিজ্ঞানের দেবতা।
নৃসিংহ – অর্ধমানব-অর্ধসিংহ, ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করেন।
বামন – বালির কাছ থেকে তিন পা ভূমি চান।
পরশুরাম – ক্ষত্রিয় বিনাশকারী ব্রাহ্মণ যোদ্ধা।
ব্যাসদেব – বেদকে চার ভাগে বিভক্ত করে সংকলন করেন।
রামচন্দ্র – অযোধ্যার রাজা, ধর্মরক্ষক।
বলরাম – কৃষ্ণের বড় ভাই, কৃষি ও শক্তির দেবতা।
কৃষ্ণ – গোপালক, ভগবান বিষ্ণুর পূর্ণ অবতার।
বুদ্ধ – অহিংসা ও করুণার প্রচারক।
কল্কি – বর্তমান কলিযুগের শেষে আবির্ভূত হবেন।
হংস – ব্রহ্মাকে আধ্যাত্মিক জ্ঞান দান করেন।
বিবস্বান মনু (স্বয়ম্ভুব বা বৈবস্বত) – মানবজাতির প্রবর্তক মনু।
📖 শ্রীমদ্ভাগবত বলছে—
এই ২২ অবতার প্রধান, তবে ভগবানের অবতার সংখ্যা সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো অসীম।


