পরমেশ্বর হলেন হিন্দুধর্মের সর্বোচ্চ সত্তা বা আদিপুরুষ, যিনি মহাবিশ্বের স্রষ্টা, পালনকর্তা ও ধ্বংসকর্তা। ‘পরম’ (সর্বোচ্চ) ও ‘ঈশ্বর’ (প্রভু) শব্দ দুটির সমন্বয়ে গঠিত এই উপাধিটি মূলত শিব বা বিষ্ণু/কৃষ্ণকে নির্দেশ করে, যারা সমস্ত অস্তিত্বের উৎস এবং চূড়ান্ত বাস্তবতা।
পরমেশ্বর সম্পর্কিত মূল বিষয়সমূহ —
সর্বোচ্চ সত্তা: বৈষ্ণবমতে শ্রীকৃষ্ণ বা বিষ্ণু, আর শৈবমতে শিব হলেন পরমেশ্বর।
সগুণ ও নিগুর্ণ: তিনি ব্রহ্ম হিসেবে নিরাকার আবার ঈশ্বর হিসেবে সাকার (রূপবিশিষ্ট) হতে পারেন।
ভিন্ন রূপ: উপনিষদ ও পুরাণ অনুযায়ী, পরমেশ্বর হলো পরম আত্মা বা পরমেশ্বর ভগবান, যিনি প্রকৃতির ঊর্ধ্বে এবং সমস্ত ক্ষমতার উৎস।
সৃষ্টির উৎস: তিনি চিরকাল সমস্ত বস্তুকে পরিব্যাপ্ত করে থাকেন এবং সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়ের (ধ্বংস) ত্রিমাত্রিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ করেন।
তাই বলা যায়, পরমেশ্বর হলেন সেই চূড়ান্ত ঈশ্বর, যার উপরে আর কেউ নেই।


