নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত পালনের নিয়মঃ
১. গোধূলি পর্যন্ত নির্জলা উপবাস থাকতে হবে। নির্জলা থাকতে না পারলে ফল প্রসাদ পেতে পারেন।
২. গোধূলি লগ্নে নৃসিংহদেবকে দুধ, দই, ঘি, মধু, মিছরির জল এবং ফলের রস দিয়ে অভিষেক করাতে পারেন।
বিঃদ্রঃ নৃসিংহদেবের চিত্রপটে ও অভিষেক করা যাবে
৩. অভিষেকের পরে নৃসিংহদেবকে ফলমূল, সবজি রান্না করে ভোগ দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন। একাদশীর দিন যে অনুকল্প গ্রহণ করা হয় সেটাই ব্রতের দিন গ্রহণ করা যাবে।
৪. কিন্তু ব্রতের দিন অন্ন, রুটি, লুচি, পরোটা গ্রহণ করা যাবে না।
৫. নৃসিংহদেবকে "পনকম্ " নিবেদন করতে পারেন। "পনকম্" হলো শীতল জল, তাল-মিছরি, লেবুর রস এবং আদা দিয়ে তৈরি একরকম পানীয় যা নৃসিংহদেবের অত্যন্ত প্রিয়।
৬. ব্রতের দিন সম্ভব হলে নৃসিংহদেবের ১০৮ টি নাম পড়ে নৃসিংহদেবের চরণে ১০৮ টি তুলসীপাতা চন্দনে মাখিয়ে অর্পণ করতে পারেন।
৭. নৃসিংহদেবের ব্রতকথা শ্রবণ করুন।
৮. শ্রীমদ্ভাগবতের ৭ম স্কন্ধের ৮ম অধ্যায় শ্রীনৃসিংহদেবের আবির্ভাব লীলা পাঠ করুন। অথবা শুদ্ধভক্তের নিকট থেকে শ্রবণ করুন।
৯. ব্রতের দিন নৃসিংহদেবের প্রণাম মন্ত্র এবং স্তব পাঠ করুন।
১০. ব্রতের পর দিন সকালে ভগবানকে অন্ন, বিভিন্ন দ্রব্যাদি রান্না করে ভোগ দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন।
নৃসিংহদেব অত্যন্ত কৃপালু। তিনি ভক্তের মনোবাসনা অবশ্যই পূরণ করবেন। তিনি অত্যন্ত করুণাময়। তিনি তাঁর ভক্তকে সর্ববিপদ থেকে রক্ষা করেন।
যেমনঃ তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করেছিলেন।