ইসকন (ISKCON – International Society for Krishna Consciousness), বা “আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ” বর্তমানে বিশ্বের ১৫০ টিরও বেশি দেশে সক্রিয়ভাবে প্রচার করছে।
🌍 ইসকনের বৈশ্বিক উপস্থিতিঃ
ইউরোপ: প্রায় ১৩৫টি কেন্দ্র
এশিয়া: প্রায় ৮০টি কেন্দ্র
উত্তর আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্রসহ): প্রায় ৬৮টি কেন্দ্র
দক্ষিণ আমেরিকা: প্রায় ৬০টি কেন্দ্র
আফ্রিকা: প্রায় ৬৯টি কেন্দ্র
অস্ট্রেলিয়া: প্রায় ১০টি কেন্দ্র
এছাড়া বিভিন্ন দেশে রয়েছেঃ
গ্রামীণ কৃষ্ণভক্ত কমিউনিটি
ধর্মীয় স্কুল
“Food for Life” বা মহাপ্রসাদ বিতরণ কর্মসূচি
বিশাল রথযাত্রা, শোভাযাত্রা ও কীর্তন উৎসব
📌 সংক্ষিপ্ত তথ্যঃ
প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৬ সালে, নিউ ইয়র্ক শহরে
প্রতিষ্ঠাতা: শ্রীল এ. সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ
দেশ সংখ্যা: ১৫০টিরও বেশি
সম্প্রতি এক রথযাত্রায় অংশ নিয়েছে: ১৮০টির বেশি দেশের ভক্তরা
📣 কেন এত বিশ্বব্যাপী প্রভাব?
ভক্তি-যোগ ভিত্তিক সহজ সাধনা (হরিনাম সংকীর্তন, প্রসাদ বিতরণ, ভাগবত পাঠ)
প্রচুর অনুবাদিত গ্রন্থ ও ভাষাভিত্তিক প্রচার
বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
বিশ্বব্যাপী রথযাত্রা ও উৎসব আয়োজন
সারাংশঃ
ইসকন শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি আন্তর্জাতিক আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন। শ্রীকৃষ্ণের ভক্তি ও ভাবনাকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে এই আন্দোলন শত শত দেশে বিস্তৃত হয়েছে।


