পৌষ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে অনুষ্ঠেয় শ্রীশ্রী রাধা-কৃষ্ণের অভিষেক অনুষ্ঠান। Winter Bathing Ceremony of Sri Sri Radha Krishna. পুষ্যা নক্ষত্রে এই অভিষেক হয়েছিল তাই পুষ্যাভিষেক। এইদিন নানা রঙ্গের ফুল দিয়ে শ্রী শ্রী রাধামাধবকে অনেক আড়ম্বরপূর্ণভাবে অভিষেক করে বলে অনেকে পুষ্পাভিষেকও বলে।
ব্রজলীলায় এইদিন ব্রজগােপীগণ পরম আদরে শ্রীশ্রীরাধা-শ্যামসুন্দরকে বহুবিধ বনফুল দিয়ে সাজিয়েছিলেন।
রাধা-কৃষ্ণের নিত্য চিন্ময় সেবা সুখ বৃদ্ধিই ব্রজ গােপীকাদের একমাত্র মনােবাঞ্ছা। যুগল স্বরূপের আনন্দ বর্ধনই তাদের প্রাত্যহিক কর্ম। ব্রজগােপীরা এইদিন ব্রজেশ্বরী রাধারাণী ও প্রাণনাথ শ্যামসুন্দরকে নানা রং ও গন্ধের পুষ্প ও মাল্য দিয়ে এত পরিমাণ সাজিয়েছিলেন যেন, তারা তাদের নিজের সৌন্দর্যকেই ভুলে যান।
স্কন্ধ পুরাণ অনুসারে পুষ্যাভিষেক যাত্রা মূলত শ্রীপুরী জগন্নাথ মন্দিরের দ্বাদশ যাত্রার একটি, এই তিথিতে শ্রীদারুব্রহ্মের বিজয় বিগ্রহ শ্রীমদনমােহনের বিশেষ অভিষেক, শৃঙ্গারাদি হয়ে থাকে, সে থেকেই পুষ্যাভিষেক অনুষ্ঠান হয়ে আসছে। এখন সেটাকে কেন্দ্র করেই শ্রীশ্রীরাধা-মাধবের এদিনে পুষ্প শৃঙ্গার ও অভিষেকাদি হয়ে থাকে।
কৃষ্ণ যখন কোন অসুরকে নিধন করতেন তখন কৃষ্ণের বন্ধুরা পুষ্প বৃষ্টি করে তাঁকে স্বাগত জানাতেন।
গােপীগণ রাসলীলায়ও পুষ্প বৃষ্টি করে শ্রীশ্রী রাধা-শ্যামসুন্দরের আনন্দ বর্ধন করেছেন।
দ্বারকায়ও শ্রীকৃষ্ণকে পুষ্প বৃষ্টি করে দ্বারকাবাসীরা স্বাগত জানিয়েছেন।
অযােধ্যার নাগরিকগণও ভগবান শ্রী রামচন্দ্রকে পুষ্পবৃষ্টি করে অযােধ্যাতে স্বাগত জানিয়েছিলেন।
মাতঙ্গ ঋষি মাতা শবরীকে বলেছিলেন একদিন ভগবান রামচন্দ্র তার আশ্রমে আসবেন। সেই থেকে মাতা শবরী দিনের পর দিন বছরের পর বছর প্রতিদিন নতুন নতুন পুষ্প দিয়ে আশ্রমের রাস্তা সজ্জিত করেছেন ভগবানের আসার প্রতীক্ষায়।
পুষ্যাভিষেক বা পুষ্প অভিষেক কি?
1 answers
18 views
+7
Answer
Loginআরও পড়ুন ...
1 Answer
+1


