গুরু হলেন তিনি যিনি শিষ্যকে অন্ধকার থেকে আলোতে নিয়ে যান, অর্থাৎ অজ্ঞানতা দূর করে জ্ঞান দান করেন। একজন আদর্শ গুরুর মধ্যে কিছু বিশেষ গুণ থাকা দরকার, যেমন - জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, আত্ম-উপলব্ধি, এবং শিষ্যকে পথ দেখানোর যোগ্যতা। এছাড়াও, গুরুকে অবশ্যই বিনয়ী, সহানুভূতিশীল এবং শিক্ষার্থীর মঙ্গলের জন্য নিবেদিত হতে হবে।
একজন গুরুর মধ্যে যে গুণাবলী থাকা উচিত:
জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা:
গুরুকে অবশ্যই তার নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে গভীর জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তাকে বিষয়টির গভীরে গিয়ে বুঝতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের সেই জ্ঞান দিতে হবে।
আত্ম-উপলব্ধি:
গুরুর নিজের ভেতরের সত্তাকে উপলব্ধি করা উচিত এবং সেই উপলব্ধি থেকে অন্যদের পথ দেখানো উচিত। অনুসারে, যিনি আত্ম-উপলব্ধি করেছেন, তিনিই গুরু হতে পারেন।
শিষ্যের প্রতি মনোযোগ:
গুরুকে অবশ্যই শিষ্যের প্রতি মনোযোগ দিতে হবে এবং তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষা দিতে হবে।
বিনয় ও সহানুভূতি:
গুরুকে বিনয়ী ও সহানুভূতিশীল হতে হবে। তিনি সবসময় শিষ্যের মঙ্গলের কথা চিন্তা করবেন। অনুযায়ী, গুরুর মধ্যে এই গুণগুলো থাকা আবশ্যক।
সততা ও নিষ্ঠা:
গুরুকে অবশ্যই সৎ এবং তার কাজে নিষ্ঠাবান হতে হবে।
অনুপ্রেরণা:
গুরু তার শিষ্যের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হবেন এবং তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলবেন।
গঠনমূলক সমালোচনা:
গুরু শিষ্যের ভুল ধরিয়ে দেবেন এবং তাদের উন্নতির জন্য গঠনমূলক সমালোচনা করবেন।অনুসারে, গুরু তাদের সঠিক পথে চালিত করেন।
গুরু শুধুমাত্র শিক্ষক নন, তিনি একজন পথপ্রদর্শক, যিনি শিষ্যকে সঠিক পথে চালিত করেন এবং তার জীবনের উন্নতিতে সহায়তা করেন। গুরু হলেন একজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব, যিনি শিষ্যকে আধ্যাত্মিক বিকাশে সাহায্য করেন।


