শিবের অন্যান্য নামের মধ্যে রয়েছে মহাদেব, শঙ্কর, রুদ্র, পশুপতি, এবং ভোলা। এছাড়াও, শিবকে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়, যেমন: বিশ্বনাথ, মহেশ, উমা পতি, নীলকণ্ঠ, এবং ত্রিলোচন। শিবের ১০৮টি নামও রয়েছে, যা বিভিন্ন পূজা-অর্চনায় জপ করা হয়।
এখানে শিবের কিছু পরিচিত নাম এবং তাদের অর্থ উল্লেখ করা হলো:
মহাদেব: দেবতাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।
শঙ্কর: যিনি কল্যাণ করেন বা মঙ্গলদাতা।
রুদ্র: যিনি ধ্বংস ও সৃষ্টির দেবতা।
পশুপতি: যিনি পশুদের অধিপতি বা প্রাণীদের দেবতা।
ভোলা: যিনি সহজে সন্তুষ্ট হন বা ভক্তের প্রতি দয়ালু।
বিশ্বনাথ: যিনি বিশ্বের অধিপতি।
মহেশ: যিনি মহান ঈশ্বর।
উমাপতি: যিনি উমা (পার্বতী)র পতি বা স্বামী।
নীলকণ্ঠ: যিনি নীল কণ্ঠযুক্ত, বিষ পান করে জগৎ রক্ষা করেছেন।
ত্রিলোচন: যার তিনটি নয়ন আছে।
এছাড়াও, শিবের ১০৮টি নাম রয়েছে, যা বিভিন্ন পূজা-অর্চনায় জপ করা হয়। এই নামগুলো হলো:
১) শিব, ২) শঙ্কর, ৩) মহাদেব, ৪) পशुपति, ৫) উগ্র, ৬) ভীম, ৭) নীললোহিত, ৮) ধ্রুব, ৯) অনন্ত, ১০) সুহোস, ১১) মহেশ্বর, ১২) বৃষাকপি, ১৩) শূলপাণি, ১৪) স্কন্দগুরু, ১৫) বিষ্ফুর, ১৬) কপালী, ১৭) বিনায়ক, ১৮) উমাপতি, ১৯) ভগবান, ২০) ভুবনেশ্বর, ২১) ভূতনাথ, ২২) পিনাকী, ২৩) অপাণি, ২৪) শঙ্কর, ২৫) শশিভূষণ, ২৬) জটাধারী, ২৭) চন্দ্রপ্রকাশ, ২৮) দিগম্বর, ২৯) অগ্নিজ্যোতি, ৩০) কালকণ্ঠ, ৩১) রুদ্র, ৩২) কাল, ৩৩) সর্বেশ্বর, ৩৪) ধূর্জটি, ৩৫) নীলকণ্ঠ, ৩৬) ত্র্যম্বক, ৩৭) ত্রিপুরারি, ৩৮) ত্রিলোকধীশ, ৩৯) পঞ্চানন, ৪০) বিশ্বনাথ, ৪১) বিশালাক্ষ, ৪২) লিঙ্গাধার, ৪৩) সোমনাথ, ৪৪) মহাকাল, ৪৫) তারকেশ্বর, ৪৬) কপালধারি, ৪৭) ভৈরব, ৪৮) অবিনাশী, ৪৯) মৃত্যুঞ্জয়, ৫০) যোগেশ্বর, ৫১) বিশ্বেশ্বর, ৫২) বৃষভধ্বজ, ৫৯) ত্রিনয়ন, ৬০) গঙ্গাধর, ৬১) উমেশ, ৬২) ভোলানাথ, ৬৩) ভব, ৬৪) পিনাকধর, ৬৫) শশিশেখর, ৬৬) মহেশ্বর, ৬৭) শূলিন, ৬৮) নটরাজ, ৬৯) হিরণ্য, ৭০) কপর্দীন, ৭১) সুন্দর, ৭২) সুরেশ্বর, ৭৩) অচ্যুত, ৭৪) বরদ, ৭৫) সহস্রাক্ষ, ৭৬) গিরীশ, ৭৭) শ্রীকণ্ঠ, ৭৮) শশধর, ৭৯) উগ্ররূপ, ৮০) ধূম্রলোচন, ৮১) বিভূতিভূষণ, ৮২) ভূতপতি, ৮3) ত্রিলোচন, ৮৪) নাগভূষণ, ৮৫) পাশহস্ত, ৮৬) শূলধারী, ৮৭) ধূর্জটি, ৮৮) ভবেশ, ৮৯) রুদ্রাক্ষমালাধারী, ৯০) চন্দ্রচূড়, ৯১) গঙ্গাধর, ৯২) মহেশ্বর, ৯৩) পিনাকপাণি, ৯৪) নাগেশ্বর, ৯৫) ভবানন্দ, ৯৬) ভবানীপতি, ৯৭) ত্রিপুরারি, ৯৮) মহাকায়, ৯৯) ভূতনাথ, ১০০) রুদ্র, ১০১) শম্ভু, ১০২) আশুতোষ, ১০৩) উমানাথ, ১০৮) সর্ব।


