হিন্দু শাস্ত্রে পেঁয়াজ ও রসুনকে রাজসিক ও তামসিক (উত্তেজনা ও অলসতা সৃষ্টিকারী) খাদ্য হিসেবে গণ্য করা হয়। আধ্যাত্মিক একাগ্রতা নষ্ট করা, কামবৃত্তি ও রাগ বৃদ্ধি করা এবং শরীর-মনকে অপবিত্র (রাক্ষসদের মতো গুণ) করার কারণে এগুলো বর্জনীয়।
এছাড়া, সমুদ্র মন্থনের সময় অমৃতের ফোঁটা মাটিতে পড়ে তা থেকে এগুলো উৎপন্ন হলেও রাক্ষসের মুখ থেকে পড়েছিল বলে বিশ্বাস করা হয়।
পেয়াজ ও রসুন খেতে নিষেধ করার প্রধান কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো -
মানসিক ও আধ্যাত্মিক প্রভাবঃ এগুলো মনকে ধ্যান ও ঈশ্বরচিন্তা থেকে বিচ্যুত করে এবং রাক্ষসী স্বভাব বা তামসিক গুণ তৈরি করে।
আয়ুর্বেদিক ও পৌরাণিক মতঃ আয়ুর্বেদে এগুলো উষ্ণ প্রকৃতির বলে মানসিক অস্থিরতা ও কামনা-বাসনা বৃদ্ধি করে।
অপবিত্রতাঃ এগুলো তামসিক প্রকৃতির হওয়ায় শুদ্ধিকরণের পথে বাধা হিসেবে ধরা হয়।
ভক্তি ও ভোগের ক্ষেত্রেঃ ভগবানের ভোগের ক্ষেত্রে পেঁয়াজ-রসুন ব্যবহার নিষিদ্ধ, কারণ এগুলো সাত্ত্বিক আহার নয়।
তবে এটি লক্ষণীয় যে, এই বারণ মূলত কঠোর নিরামিষভোজী, যোগী বা বৈষ্ণবীয় সাধকদের জন্য প্রযোজ্য।


