শ্ৰীমদ্ভগবদগীতার ৯ম অধ্যায়ের ২৬ নং শ্লোকে বলা হয়েছে —
পত্রং পুষ্পং ফলং তোয়ং যো মে ভক্ত্যা প্রযচ্ছতি ।
তদহং ভক্ত্যুপহৃতমশ্নামি প্রযতাত্মনঃ ।।
অনুবাদঃ যে বিশুদ্ধচিত্ত নিষ্কাম ভক্ত ভক্তি সহকারে আমাকে পত্র, পুষ্প, ফল ও জল অর্পন করেন, আমি তাঁর সেই ভক্তিপ্লুত উপহার প্রীতি সহকারে প্রহন করি।
শ্রীল প্রভুপাদ বলেছেন — আপনি যখন ভক্তি ও প্রীতি সহকারে ভগবানকে একটি পুষ্প নিবেদন করবেন তখন আপনি অনুভব করতে পারবেন ভগবান আপনার নিবেদিত পুষ্প গ্রহণ করেছেন এবং শ্রীবিগ্রহের হাস্যোজ্জল মুখমণ্ডলে আপনি দর্শন করতে পারবেন।
পুষ্প অভিষেক হচ্ছে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের উৎসব। Festival of Unity in Diversity. এই দিন পুষ্প, অলংকার ও বস্ত্র দিয়ে শ্রীশ্রী রাধা-মাধবের শ্রীবিগ্রহকে সুন্দরভাবে সজ্জিত করা হয়। হরিভক্তিবিলাস অনুসারে এই দিন শ্রীবিগ্রহগণকে ঘি দিয়ে অভিষেক করানাে উচিত।
প্রত্যেকটি ইসকন মন্দিরে ঐ দিন বিভিন্ন রং এর ফুল দিয়ে ভগবানকে সাজানাে হয়, পুষ্প মাল্য প্রদান করা হয় ও অসংখ্য ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে পুষ্প অভিষেক করানাে হয় এবং কীর্তনমেলার আয়ােজন করা হয়।
আপনিও নিজগৃহে শ্রীশ্রী রাধা-মাধবকে পুষ্প দিয়ে সাজাতে পারেন ও পুষ্প অভিষেক করতে পারেন। সারাদিন যে কোনো সময় হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করার মধ্য দিয়ে।


