Sajibe KantiVerified
December 12, 2025
মৃত্যু পথযাত্রীকে হরি নাম শোনালে তার কি উপকার হয়? তখন কি তিনি শুনতে পান? এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি?
1 answers
61 views
Uzzwal Dhali
Bappy Kuri
ঋষভ
+5
Answer
Login

আরও পড়ুন ...

1 Answer
Sajibe KantiVerified
December 22, 2025

আমাদের ধর্মে বর্ণিত আছে মূর্তুর সময় যদি কোনো মানুষের কানের কাছে গিয়ে হরি নাম করা হয় সে মৃত্যুস্বর্গে যায় । এইবার আসেন এইটা বিজ্ঞানের আলোকে বন্যনা করি ।

 

আমরা জানি যে কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর পরে ১০ মিনিট পর্যন্ত তার মস্তিষ্ক কাজ করে। মৃত হওয়ার সাথে সাথে আমাদের শরীরের রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় আর এই রক্ত প্রবাহ বন্ধ হওয়ার কারণে শরীরের অনেক অংশ কাজ করা বন্ধ করে দেয় কিন্তু ওই সময় মস্তিষ্কের মধ্যে একরকম ইলেকট্রন প্রবাহ হয় ইলেকট্রিসিটি প্রবাহ হয় ওই কারণে আমরা ওই দুই থেকে ২০  সেকেন্ড পর্যন্ত কোন কিছু শুনতে পারি। এখানে আরো লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে আমাদের শরীরের হৃদপিণ্ড স্পন্দন ২-২০ সেকেন্ড পর্যন্ত সচল থাকে তারপরে বন্ধ হয়ে যায়। মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ হচ্ছে সেরিব্রাল কর্টেক্স। এই অংশে আমাদের বেশিরভাগ জিনিসগুলোই এটা নিয়ন্ত্রণ করে যেমন শ্রবণ শক্তি দৃষ্টিশক্তি স্পর্শ এবং অনুভূতি । এই অংশটি অক্সিজেন ছাড়াও দুই থেকে বিশ সেকেন্ড পর্যন্ত চালু থাকে। এজন্য আমরা অনেকেই আমাদের সনাতন ধর্ম অনুযায়ী এই সময়টাই মৃত ব্যক্তির কানের কাছে হরি নাম বলা হয় বা গীতা পাঠ করা হয়। যেন সে হরিনাম নিয়ে মৃত্যুবরণ করতে পারে শেষ শ্রবণশক্তি যেন হরি নামে থাকে। এই দুই থেকে ২০ সেকেন্ড আপনি যদি কানের পাশে কিছু বলেন সে কিন্তু সেই জিনিসটা শুনতে পায় এবং টের পায়। শেষের দিকে মস্তিষ্কের কোষ গুলো নিঃশেষ হয়ে যেতে থাকে এবং একপর্যায়ে সবকিছু কার্যক্রম অফ হয়ে যায়। কিন্তু একটা পর্যায়ে একটা কোষ বা একটা অংশ কোনভাবে হার মানতে চায় না তাহলে স্মৃতি কেন্দ্র  বা হিপোক্যাম্পাস । এই অংশটা অনেকটা আমাদের মেমরি রিভিউ এর মত যেমনটা আমাদের মোবাইল ঠিক আজকের ডেটের গত বছর যে ছবিগুলো আছে সেগুলো আজকে শো করবে এই টাইপের। এই স্মৃতিগুলো চোখের সামনে ভাসতে থাকে। আর এই স্মৃতি কেন্দ্রটাই হলো মস্তিষ্কের শেষ কর্মযজ্ঞ এটার সাথে সাথে সবকিছু শেষ হয়ে যায় । 


কিন্তু দেখেন এই জিনিসগুলা কিন্তু ধর্মে বর্ণিত আছে তারপর বিজ্ঞান থেকে আমরা বুঝতে পারলাম সো প্রথম ধর্ম পরে বিজ্ঞান ।

Uzzwal Dhali
+1