রাধাষ্টমীতে মূলত রাধার মহিমা, রাধা-কৃষ্ণ প্রেমলীলা ও রাধা-নাম মহিমা সম্পর্কিত ভজন ও কীর্তন গাওয়া শ্রেষ্ঠ বলে শাস্ত্র ও আচার্যরা উল্লেখ করেছেন।
✨ রাধাষ্টমীতে শ্রেষ্ঠ ভজন ও কীর্তনসমূহ
১. রাধা নাম-সংকীর্তন
“রাধে রাধে জপো সদা রাধে”
“জয় রাধে, জয় রাধে, জয় শ্রী রাধে”
👉 ভক্তিগ্রন্থে বলা হয়েছে— “রাধা নাম যেখানে, সেখানেই কৃষ্ণ”। তাই রাধানাম-সংকীর্তনই রাধাষ্টমীর মূল ভজন।
২. চৈতন্য মহাপ্রভু ও বৈষ্ণব আচার্য প্রণীত কীর্তন
নরোত্তম দাস ঠাকুরের ভজন : “রাধা-কৃষ্ণ বল, সঙ্গ কোরো চল”
লোকনাথ দাস ঠাকুর ও অন্যান্য বৈষ্ণব কবিদের রাধার গুণকীর্তন।
৩. গোপী-গীত ও ভাগবতের শ্লোক পাঠ
শ্রীমদ্ভাগবত (দশম স্কন্ধ, গোপী-গীত অধ্যায়) থেকে পদ গাওয়া হয়, যেখানে রাধার নেতৃত্বে গোপীদের ভক্তি প্রকাশিত।
বিশেষত— “অনায়ারাধিতো নূনং” শ্লোক পাঠ করে রাধার শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করা হয়।
৪. জয়দেব গোস্বামীর গীত গোবিন্দ
কৃষ্ণ-রাধার মিলন ও প্রেমলীলার কাব্যগান, যা রাধাষ্টমীতে বিশেষ ভক্তিভরে গাওয়া হয়।
৫. রাধার মহিমা বিষয়ক কীর্তন
“শ্রীরাধিকা নাম যাহার, সে জেনে কৃষ্ণসার”
“যশোমতী নন্দন, ব্রজবর নাগর, গোপী-প্রীতিজন রাধিকা-রমন”
🌼 সারসংক্ষেপ
রাধাষ্টমীতে শ্রেষ্ঠ ভজন হচ্ছে—
রাধানাম-সংকীর্তন (জপ ও কীর্তন)
রাধা-কৃষ্ণ মিলন ও লীলা বিষয়ক ভজন
ভাগবতের গোপী-গীত
গীত গোবিন্দের পদ
বৈষ্ণব আচার্যদের রচিত ভজন
🙏 বলা হয়— রাধার নাম গাওয়া বা শ্রবণ করা মানেই কৃষ্ণভক্তির সর্বোচ্চ রূপ।


