নারদ একজন গুরুত্বপূর্ণ পৌরাণিক চরিত্র, যিনি হিন্দু ধর্মগ্রন্থে বহুবার উল্লেখিত হয়েছেন।
পরিচয়:
নারদ ঋষি (নারদ মুনি নামেও পরিচিত) হলেন এক দিব্য ঋষি বা মহর্ষি।
তিনি ব্রহ্মার মানসপুত্র (চিন্তা থেকে জন্ম নেওয়া পুত্র) বলে পরিচিত।
তিনি দেবলোক, মর্ত্যলোক ও পাতাল—সব লোকেই অবাধে বিচরণ করেন।
বৈশিষ্ট্য:
হাতে সর্বদা বীণা থাকে, যার নাম মহতী বা তুম্বুরী।
সর্বদা "নারায়ণ নারায়ণ" জপ করেন।
তাকে বলা হয় ত্রিলোক সঞ্চারী (তিন জগৎ ভ্রমণকারী)।
তিনি দেবতা, ঋষি, দানব সবার মধ্যেই সংবাদ বহন করেন, তাই তাকে অনেক সময় দেবদূত বলা হয়।
ধর্মীয় ভূমিকা:
পুরাণ ও মহাভারতের বহু ঘটনায় নারদ ঋষির উপস্থিতি দেখা যায়।
তিনি প্রায়ই জ্ঞান, ভক্তি ও ন্যায়ের প্রচার করেন, আবার অনেক সময় তার কথাবার্তা ঘটনাকে অন্য দিকে মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
ভগবান বিষ্ণুর একান্ত ভক্ত।
সংস্কৃত সাহিত্যে অবদান:
তাকে ভক্তি শাস্ত্র প্রচারক মনে করা হয়।
সংগীত ও কাব্যেরও তিনি দেবতা-সদৃশ প্রবর্তক বলে বিবেচিত।
সংক্ষেপে, নারদ ঋষি হলেন ভগবান বিষ্ণুর ভক্ত, সর্বত্র বিচরণশীল ঋষি, যিনি দেবতা ও মানুষের মাঝে বার্তা ও জ্ঞান পৌঁছে দেন।


