হ্যাঁ 🙏
শাস্ত্রমতে একাদশী পালন মোক্ষদায়িনী (মুক্তি প্রদানকারী) বলে বর্ণিত হয়েছে।
শাস্ত্রীয় ভিত্তি:
পদ্মপুরাণে বলা হয়েছে –
একাদশীর ফল অন্য সব তীর্থস্নান, দান, যজ্ঞ ও ব্রত থেকেও শ্রেষ্ঠ। যে ভক্ত একাদশী পালন করে, তার জন্মজন্মান্তরের পাপ নাশ হয় এবং সে বিষ্ণুলোকে গমন করে।স্কন্দপুরাণে বলা আছে –
“একাদশী ব্রত পালন করলে মৃত্যুকালে ভগবান বিষ্ণুর চরণে আশ্রয় লাভ হয়।”শ্রীবাগবত মহাপুরাণে উল্লেখ আছে –
একাদশী হল ভগবানের স্বরূপশক্তি। এই দিনে উপবাস, নামজপ, কীর্তন ও ভক্তিসাধনা করলে জীব ভগবানের কৃপায় সংসারবন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে মোক্ষপ্রাপ্ত হয়।
আধ্যাত্মিক অর্থে:
একাদশী শুধু পেট খালি রাখা নয়, বরং ইন্দ্রিয়নিয়ন্ত্রণ ও ভগবদ্ভক্তির দিন।
একাদশীর মাধ্যমে ভক্ত ভোগবিলাস থেকে সরে গিয়ে ভগবানের প্রেমে নিমগ্ন হয়।
এই ভক্তির শক্তিই শেষ পর্যন্ত জীবকে সংসার-চক্র থেকে মুক্তি (মোক্ষ) দেয়।
👉 তাই বলা হয়:
“একাদশী পালন মোক্ষপ্রদায়িনী তিথি।”


