পারণ হলো কোনো উপবাস, বিশেষ করে একাদশীর উপবাসের শেষ পর্যায়ে খাবার গ্রহণের প্রক্রিয়া। অর্থাৎ, একাদশীর দিনে বা অন্য ব্রতের দিনে পুরো দিন উপবাস করার পর যখন ভক্ত উপবাস ভেঙে খাবার খায়, সেটাকেই পরাণ বলা হয়।
✨ পরাণের মূল বৈশিষ্ট্য
উপবাসের সমাপ্তি
উপবাস পালনের দিন শেষে, সাধারণত সন্ধ্যা বা সূর্যাস্তের পরে, পরাণ করা হয়।
পবিত্র খাবার
ফল, শস্যবিহীন খাবার, দুধ বা দই খাওয়া হয়।
ধান, মাংস, মাছ, মদ্যপান এ সময়ও নিষিদ্ধ।
ভক্তি ও ধ্যান সহকারে
খাবার গ্রহণের সময় ভগবান বিষ্ণুর প্রতি ভক্তি ও ধ্যান করা হয়।
শাস্ত্রে বলা হয়েছে, সঠিকভাবে পরাণ করলে উপবাসের পূর্ণ ফল প্রাপ্ত হয়।
শাস্ত্রীয় উল্লেখ
পদ্মপুরাণ ও ব্রহ্ম বৈবর্ত পুরাণে একাদশীর পরাণের নিয়ম ও মাহাত্ম্য বর্ণিত।
পরাণের মাধ্যমে ভক্ত পাপমোচন ও আধ্যাত্মিক উন্নতি লাভ করেন।
🌼 সারসংক্ষেপ:
পারণ = উপবাস শেষ করে ভগবান বিষ্ণুকে উৎসর্গ করে পবিত্র খাবার গ্রহণ।
এটি উপবাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ, কারণ সঠিক পরাণের মাধ্যমে ব্রতের পূর্ণ ফল অর্জিত হয়।


