Asish BiswasVerified
August 18, 2025
একাদশী উপবাসের ধরন কয়টি?
2 answers
24 views
ঋষভ
Uzzwal Dhali
Eva Dhali
+3
Answer
Login

আরও পড়ুন ...

2 Answers
Uzzwal DhaliVerified
April 19, 2026

একাদশী উপবাস মূলত চারটি প্রধান পদ্ধতিতে পালন করা যায়। ভক্তরা তাদের শারীরিক সক্ষমতা এবং ভক্তির ওপর ভিত্তি করে নিচের যেকোনো একটি ধরন বেছে নিতে পারেন:

নির্জলা উপবাস: এটি সবচেয়ে কঠোর পদ্ধতি, যেখানে জল বা খা বার —কিছুই গ্রহণ করা হয় না।

সজলা বা জলহর উপবাস: এই পদ্ধতিতে খাবার বর্জন করা হয়, তবে তৃষ্ণা মেটাতে শুধুমাত্র জল পান করা যায়।

ক্ষীরভোজী উপবাস: এই ধরনে ভক্তরা শুধুমাত্র দুধ এবং দুগ্ধজাতীয় খাবার (যেমন ছানা বা মিষ্টি) খেয়ে উপবাস পালন করেন।

ফলহারী বা সফল উপবাস: এটি সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি, যেখানে বিভিন্ন ধরণের ফল, বাদাম এবং শেকড় জাতীয় খাদ্য (যেমন আলু, মিষ্টি আলু) গ্রহণ করা হয়।

এছাড়াও নক্তভোজী নামক একটি ধরন রয়েছে, যেখানে সারাদিন উপবাস থেকে সূর্যাস্তের ঠিক আগে একবার মাত্র অন্নহীন (শস্যহীন) আহার গ্রহণ করা হয়।

Uzzwal Dhali
+1
Asish BiswasVerified
August 18, 2025

শাস্ত্রে একাদশী উপবাস মূলত তিন ধরনের হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। প্রতিটি ধরণের নিয়ম ও কঠোরতা আলাদা।

১️⃣ পূর্ণ উপবাস (Nirjala Ekadashi / সম্পূর্ণ উপবাস)

  • খাওয়া-দাওয়া একেবারেই নিষিদ্ধ, শুধুমাত্র জল গ্রহণ করা যেতে পারে (নির্জলা উপবাস হলে জলও নয়)।

  • শরীর ও মন সম্পূর্ণভাবে ব্রত ও ভগবানের দিকে নিবদ্ধ থাকে।

  • এটি সবচেয়ে কঠিন ও মহিমান্বিত উপবাস।

২️⃣ আংশিক উপবাস (Phalahar / ফলাহার)

  • শুধুমাত্র শস্যবিহীন খাবার, ফল, দুধ ও বাদাম গ্রহণ করা যায়।

  • সাধারণ খাদ্য, চাল বা গমজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা হয়।

  • এটি স্বাস্থ্যবিধি মেনে সহজভাবে পালনযোগ্য।

৩️⃣ আংশিক বা হালকা উপবাস (Partial Fasting / Upavasa)

  • শরীরের দুর্বলতা বা অসুবিধা থাকলে আংশিকভাবে হালকা খাবার গ্রহণ করা যায়।

  • ভক্তি ও মনোযোগ প্রধান, খাবারের সীমাবদ্ধতা অপেক্ষাকৃত নরম।


🌼 সারসংক্ষেপ:
একাদশীর উপবাস মোট তিন প্রকার:

  1. পূর্ণ উপবাস (নির্জলা),

  2. আংশিক উপবাস বা ফলাহার,

  3. হালকা বা আংশিক উপবাস।