হলিকা প্রহ্লাদকে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন অগ্নিতে পুড়িয়ে।
পুরাণের কাহিনি অনুযায়ী ধাপে ধাপে ঘটনাটা এমন ছিল—
হিরণ্যকশিপুর নির্দেশ
রাক্ষসরাজ হিরণ্যকশিপু তার ভক্তপুত্র প্রহ্লাদকে বহুবার হত্যা করার চেষ্টা করেন।
শেষমেশ তিনি তাঁর বোন হলিকাকে ডাকেন, কারণ হলিকার ছিল আগুনে না পোড়ার বর।
পরিকল্পনা
হলিকা ব্রহ্মার দেওয়া জাদুকরী চাদর গায়ে দিয়ে প্রহ্লাদকে কোলে নিয়ে জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডে বসবেন।
ধারণা ছিল, বর অনুযায়ী হলিকা বেঁচে যাবেন আর প্রহ্লাদ পুড়ে যাবে।
ঘটনা
প্রহ্লাদ অগ্নিকুণ্ডে বসেও ভগবানের নাম জপ করতে থাকেন।
বর ভগবানের ইচ্ছায় উল্টে যায়—চাদরটি হলিকার গা থেকে সরে এসে প্রহ্লাদের গায়ে পড়ে।
পরিণতি
প্রহ্লাদ আগুনে বিন্দুমাত্র ক্ষতিগ্রস্ত হননি।
বরং হলিকা আগুনে পুড়ে ভস্ম হয়ে যান।
এই ঘটনাকে প্রতীকীভাবে দেখা হয়—অধর্মের বিনাশ আর ভক্তির বিজয়।
এ কারণেই হোলি উৎসবের আগের রাতে “হলিকা দহন” হয়।


