চাতুর্মাস্য ব্রত হলো একটি হিন্দু ধর্মীয় ব্রত যা আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী থেকে কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী পর্যন্ত চার মাস পালন করা হয়। এই সময়টিকে ভগবান বিষ্ণুর নিদ্রার সময়কাল হিসেবে ধরা হয়, তাই এই সময়টিকে তপস্যা, সংযম ও ধর্মীয় কার্যকলাপের জন্য বিশেষ বলে মনে করা হয়।
চাতুর্মাস্য ব্রতের প্রধান কাহিনীটি হলো, ভগবান বিষ্ণু আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীতে (শয়নী একাদশী) যোগ নিদ্রায় যান এবং কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীতে (প্রবোধিনী একাদশী) ঘুম থেকে ওঠেন।
এই ব্রতের পেছনের কাহিনীটি হলো:
একসময় রাজা বালি নামে এক শক্তিশালী রাজা ছিলেন। তিনি তার তপস্যা ও ক্ষমতার জোরে স্বর্গ ও মর্ত্য অধিকার করে নেন। তখন দেবতারা বিষ্ণুর শরণাপন্ন হন। বিষ্ণু বামন অবতার ধারণ করে বালির কাছে এসে তিন পা ভূমি ভিক্ষা চান। বালি সম্মত হলে, বামনরূপী বিষ্ণু এক পা স্বর্গ, এক পা মর্ত্য ও তৃতীয় পা রাখার জন্য স্থান চাইলে, বালি তার মাথা পেতে দেন। এতে বালি পাতালে নিক্ষিপ্ত হন। বিষ্ণু তার ভক্তিতে প্রীত হয়ে বালিকে বর দিতে চাইলে, বালি তাকে চার মাস পাতালে থাকার বর দেন। এই চার মাস বিষ্ণু পাতালে অবস্থান করেন, যা চাতুর্মাস্য নামে পরিচিত।
অন্য একটি কাহিনী অনুসারে, রাজা পৃথু তার প্রজাদের দুঃখ দূর করার জন্য ভূমি (পৃথিবী) কে দোহন করে খাদ্য সংগ্রহ করেছিলেন। তখন পৃথিবী রূষ্ট হয়ে নিজেকে লুকিয়ে ফেলেছিলেন। তখন বিষ্ণু তাকে রক্ষা করেন এবং পৃথিবীতে খাদ্যশস্য উৎপন্ন হওয়ার ব্যবস্থা করেন। এই ঘটনাটি আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীতে ঘটেছিল, তাই এই দিনটিকে শয়নী একাদশী বলা হয়।
এই চার মাস বিষ্ণু নিদ্রিত থাকেন, তাই এই সময়টিকে শুভ কাজ, যেমন বিবাহ ইত্যাদি এড়িয়ে চলা হয়। ভক্তরা এই সময় সংযম, উপবাস ও ধর্মীয় কার্যকলাপের মাধ্যমে Godশ্বরের পূজা করেন।
সুতরাং, চাতুর্মাস্য ব্রত হলো ભગવાન বিষ্ণুর নিদ্রা এবং ভক্তদের তপস্যা ও আত্ম-সংযমের একটি বিশেষ সম


