১৮ অধ্যায় সমন্বিত ভগবদ্গীতাকে বৈষ্ণব আচার্যরা মুখ্যতঃ কয়ভাগে বিভক্ত করেছেন?
2 answers
17 views
Uzzwal Dhali
+1
Answer
Login

আরও পড়ুন ...

2 Answers

উঃ ১৮. অধ্যায় ভগবদ্‌গীতাকে মুখ্যতঃ তিনভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।

◉ প্রথম ৬টি অধ্যায় (১ম-৬ষ্ঠ) কে বলা হয় কর্মষটক্‌,

◉ মধ্যের ৬টি অধ্যায় (৬ষ্ঠ-১২শ) কে বলা হয় ভক্তিষটক্  এবং

◉ শেষ ৬টি অধ্যায়কে (১৩শ-১৮শ) বলা হয় জ্ঞানষটক্‌।

Uzzwal Dhali
+1

ভগবদ্গীতা, যা ১৮টি অধ্যায় নিয়ে গঠিত, বৈষ্ণব আচার্যরা সাধারণত এটিকে তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করে থাকেন। এই তিন ভাগকে বলা হয়:

  1. কর্মযোগ (প্রথম ৬ অধ্যায়)

  2. ভক্তিযোগ (মাঝের ৬ অধ্যায়)

  3. জ্ঞানযোগ (শেষ ৬ অধ্যায়)

বিস্তারিত বিভাজন:

  1. প্রথম ৬ অধ্যায় (১-৬): কর্মযোগ
    এই অংশে কর্মের (দায়িত্ব পালনের) মাধ্যমে আত্মার উন্নতির কথা বলা হয়েছে। এখানে নিষ্কাম কর্মযোগের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

  2. মাঝের ৬ অধ্যায় (৭-১২): ভক্তিযোগ
    এই অংশে কৃষ্ণের ভক্তি, তাঁর ঐশ্বরিক রূপ ও গুণাবলির মাধ্যমে আত্মসমর্পণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এটি গীতার হৃদয় বা কেন্দ্রবিন্দু বলে বিবেচিত।

  3. শেষ ৬ অধ্যায় (১৩-১৮): জ্ঞান ও বৈরাগ্য
    এই অংশে জ্ঞান, প্রাকৃত প্রকৃতি, গুণত্রয় এবং পরমাত্মার প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে কর্ম, জ্ঞান এবং ভক্তির সমন্বয়ও ফুটে ওঠে।

সারসংক্ষেপ:

  • কর্মযোগ — অধ্যায় ১-৬

  • ভক্তিযোগ — অধ্যায় ৭-১২

  • জ্ঞানযোগ (বা জ্ঞান-বৈরাগ্য) — অধ্যায় ১৩-১৮

এই তিনটি বিভাগ গীতার সারবস্তুকে সহজে অনুধাবনের জন্য আচার্যরা উপস্থাপন করেছেন। অনেক বৈষ্ণব আচার্য, যেমন শ্রীমদ্ভাগবত ও গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধারায়, ভক্তিযোগ অংশকে গীতার সর্বোচ্চ শিক্ষা বলে বিবেচনা করেন।

Uzzwal Dhali
+1