উঃ ১৮. অধ্যায় ভগবদ্গীতাকে মুখ্যতঃ তিনভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
◉ প্রথম ৬টি অধ্যায় (১ম-৬ষ্ঠ) কে বলা হয় কর্মষটক্,
◉ মধ্যের ৬টি অধ্যায় (৬ষ্ঠ-১২শ) কে বলা হয় ভক্তিষটক্ এবং
◉ শেষ ৬টি অধ্যায়কে (১৩শ-১৮শ) বলা হয় জ্ঞানষটক্।
উঃ ১৮. অধ্যায় ভগবদ্গীতাকে মুখ্যতঃ তিনভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
◉ প্রথম ৬টি অধ্যায় (১ম-৬ষ্ঠ) কে বলা হয় কর্মষটক্,
◉ মধ্যের ৬টি অধ্যায় (৬ষ্ঠ-১২শ) কে বলা হয় ভক্তিষটক্ এবং
◉ শেষ ৬টি অধ্যায়কে (১৩শ-১৮শ) বলা হয় জ্ঞানষটক্।
ভগবদ্গীতা, যা ১৮টি অধ্যায় নিয়ে গঠিত, বৈষ্ণব আচার্যরা সাধারণত এটিকে তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করে থাকেন। এই তিন ভাগকে বলা হয়:
কর্মযোগ (প্রথম ৬ অধ্যায়)
ভক্তিযোগ (মাঝের ৬ অধ্যায়)
জ্ঞানযোগ (শেষ ৬ অধ্যায়)
প্রথম ৬ অধ্যায় (১-৬): কর্মযোগ
এই অংশে কর্মের (দায়িত্ব পালনের) মাধ্যমে আত্মার উন্নতির কথা বলা হয়েছে। এখানে নিষ্কাম কর্মযোগের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
মাঝের ৬ অধ্যায় (৭-১২): ভক্তিযোগ
এই অংশে কৃষ্ণের ভক্তি, তাঁর ঐশ্বরিক রূপ ও গুণাবলির মাধ্যমে আত্মসমর্পণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এটি গীতার হৃদয় বা কেন্দ্রবিন্দু বলে বিবেচিত।
শেষ ৬ অধ্যায় (১৩-১৮): জ্ঞান ও বৈরাগ্য
এই অংশে জ্ঞান, প্রাকৃত প্রকৃতি, গুণত্রয় এবং পরমাত্মার প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে কর্ম, জ্ঞান এবং ভক্তির সমন্বয়ও ফুটে ওঠে।
কর্মযোগ — অধ্যায় ১-৬
ভক্তিযোগ — অধ্যায় ৭-১২
জ্ঞানযোগ (বা জ্ঞান-বৈরাগ্য) — অধ্যায় ১৩-১৮
এই তিনটি বিভাগ গীতার সারবস্তুকে সহজে অনুধাবনের জন্য আচার্যরা উপস্থাপন করেছেন। অনেক বৈষ্ণব আচার্য, যেমন শ্রীমদ্ভাগবত ও গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধারায়, ভক্তিযোগ অংশকে গীতার সর্বোচ্চ শিক্ষা বলে বিবেচনা করেন।